এতোই দক্ষ যে উপেক্ষা করা অসম্ভব

So Good They Can't Ignore You: Why Skills Trump Passion in the Quest for Work You LoveSo Good They Can’t Ignore You: Why Skills Trump Passion in the Quest for Work You Love by Cal Newport

“Compelling careers often have complex origins that reject the simple idea that all you have to do is follow your passion…”

কাল নিউপোর্ট MIT থেকে গণকযন্তরবিদ্যায় পিএইচডি করা লোক; উনার স্টাডি হ্যাক ব্লগটা (http://calnewport.com/) মাঝে মাঝে দেখা হয়। মনের মতো কাজ কিভাবে খুঁজে নিতে হয় এ বিষয়ে বইটি লেখা। প্রথমেই উনি passion-কে বাতিল করে দিয়েছেন 😮 । তার মূল কথা এমন সব গুণ অর্জন করতে হবে যেগুলো দূর্লভ কিন্তু দরকারী, তাহলেই নিজের পেশাকে passion-এ পরিণত করা যাবে। এজন্য শিল্পী বা দাবাড়ুদের মতো deliberate practice-র পক্ষপাতী তিনি। বইটা ভালো লাগলো, কারণ বইটা knowledge-worker-এর পরিপ্রেক্ষিতে লেখা। সাধারণত দাবা কিংবা সংগীত ইত্যাদি পারফরমেন্স নির্ভর পেশায় ভালো করতে গেলে কি ধরণের চর্চা লাগবে তার সুপ্রতিষ্ঠিত নির্দেশনা থাকলেও জ্ঞানভিত্তিক কাজে নিয়োজিতদের জন্য এ ধরণের ভালো নির্দেশনা দূর্লভ।

বিস্তারিত

View all my reviews

Advertisements

সহজ বাংলায় (ইংরেজিতে :p ) পরিসংখ্যান

Statistics in Plain English, Third EditionStatistics in Plain English, Third Edition by Timothy C. Urdan

রেটিং: ৪/৫

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে পরিসংখ্যান পাঠ্যহিসেবে থাকলেও তা মাথার ভেতর খুব একটা ঢুকতে পারে নি। একাডেমিকভাবে পরিসংখ্যানের ক্লাসগুলো ছিলো গণিত-ভিত্তিক, সূত্র আছে অংক করো এই ধরনের। গণিত দরকারী জিনিস, কোন ধারণাকে বিমূর্তভাবে উপস্থাপনের জন্য অপরিহার্য। তবে পরিসংখ্যানের আলোচ্য বিষয়গুলো আসলে কোন প্রেক্ষিতে কি দরকারে এসেছে, প্রতিটি বিষয়ের গণিতের পেছনে ভাবনাটা আসলে কি এই অন্তর্দৃষ্টি তৈরি না হলে আলোচনাগুলো অর্থহীন হয়ে পড়ে। তখন শুধু সূত্র শিখে অংক কষাই হয়, পরিসংখ্যানের কোন বোধ তৈরি হয় না। পরিসংখ্যান না বোঝার কারণে পরবর্তীতে থিসিস করতে গিয়ে কিংবা কোন বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ পড়তে গিয়ে ঠেকে যেতে হয়েছে। এরকম অবস্থায় স্ট্যাটিস্টিকস ইন প্লেইন ইংলিশ বইটা হাতে আসে। এখানে লেখক পরিসংখ্যানকে গাণিতিকভাবে উপস্থাপনের চেয়ে কোন বিশ্লেষণ পদ্ধতি কোন প্রয়োজনে এসেছে, পদ্ধতিটার মানে কি দাঁড়ায়, বিশ্লেষণের পেছনে অন্তর্দৃষ্টিটা কি এই বিষয়গুলোতে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন — সোজা বাংলায় (মানে ভাষাটা ইংরেজী হলেও আলোচনাটা সরল ভাষায়)। এই বইটা পড়ার পর পরিসংখ্যানের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ আর প্রাথমিক বিশ্লেষণ পদ্ধতির ধারণা পরিস্কার হয়েছে আমার। পরিসংখ্যানের আরেকটু সিরিয়াস বুঝ্ তৈরি করতে এই বোধ্-টা কাজে দেবে।

View all my reviews

অতীতের আলো

ধূলি আর ধোঁয়ার কুয়াশায় মলিন আকাশটা
শহুরে আলোর হট্টগোলে জর্জরিত হয়তো –
কৃষ্ণপক্ষের ফালি চাঁদটা সরে গেছে
আকাশের একপাশে।
উদ্ধত টাওয়ারের মাথায়
লাল আলো – নাকি লোহিত বামন তারা সে এক?
ভ্রম হয়-

তবু একাকী উজ্জ্বলতায় একটি নক্ষত্র হয়তো চোখে পড়ে।
শরতের দক্ষিণ আকাশে।

তার এই আলোর যাত্রা শুরু হয়েছিলো
কত লক্ষ বছর আগে?
পৃথিবীতে হয়তো তখন নিয়ন্ডারথাল মানবের বিচরণ।
তাদের আকাশ চিরে ছায়াপথের দুধেল ধারা
আর তারা নিয়ে কত বিস্ময় কল্পনা।
শিকারী কালপুরুষ, বৃহৎ ভল্লুক আর সিংহের
গভীর অরণ্য হয়ে যায় আকাশটা।
আরো কত ছবি ঐ আকাশের অবতল ক্যানভাসে
অবলীলাক্রমে সহজ সরলতায় সৃষ্টি করে চলেছে।

সেই নিয়ন্ডারথাল পিতার চোয়ালের ফসিল হাতে,
আমি আকাশে একটি উজ্বল তারা দেখি
সে তারা নিয়ে আসে অতীতের আলো।

State of traffic-jam in Dhaka during political instability, 2015

The year 2015 started with acute political crisis in Bangladesh. One of the major political party, BNP, called for an endless blockage until or unless present government leading by AL leave their power and another national election get organized. As the method of political block, BNP organized terrorist ambush activities such as petrol bomb attack in public buses. Many people died due to massive burn, many are still fighting against death, and death toll gone wild day-after-day. In that time, everyone was in horror. There was a sharp decline in transport by bus. Me along with my father also started avoiding bus-ride. In this situation, I noticed an unexpected scenario, there was no traffic-jam in the roads of Dhaka.

This observation worth telling. As the blockage was continued for indefinite time, offices and business did not halted their activities. So every earning member of all family had to work during day. Although many of the citizen of Dhaka have private-car, they did not bring it out of garage due to safety: who knows when a petrol-bomb will burn the car in public-place! As many of the people started avoiding public-bus services, rickshaw-ride increased. Almost all VIP roads, where rickshaws were not permitted in normal time, were open for rickshaw. What I observed in that turbulent time that there was no traffic jam in prime hours! It’s not the case that those one have job or business just halted working during the blockage, but they stopped using private-car. Almost no private-car on the roads, everyone travelling through rickshaw, and no traffic jam! This was the common scene during the first-months of the political blockage. I shared the view with other peers and they confirmed this with similar observations.

Traffic-jam is an irritating problem in Dhaka which kills around one to three hours per day in average in my daily-life. Government is apparently trying to solve this problem by constructing new fly-over bridges, expanding width of existing roads, making new-one, building elevated high-ways but the problem seems is not as easy to solve. Although lot of private car is not the only element of traffic-problem is Dhaka and there are other elements of the problem that worth analyzing. But above observation indicates that decreasing the use of private-car may provide a feasible solution of a long existing problem. I think many might cry at me that private-cars are not the root-cause but disobeying the traffic-rules is. This claim also hold some truth, in fact almost none of our drivers follow any traffic rules that are related with vehicle-mobility, rather they follow jungle-laws that has been emerged from the extreme-load of transport vehicle in roads. This load of transport vehicle is so high in Dhaka in office-times that its not possible for a traffic surgeon to employ traffic-rules. I have some observation in other facets of this critical problems and will share my opinion in this blog soon.

ভয়-ভাবনা আর উপরিতলের স্বাভাবিকতা

আর কত খবরের কাগজ পড়া যায়। নদীতে লঞ্চডুবে, ভবন ধ্বসে, পেট্রোলে বোমার আগুনে পুড়ে মানুষ মারা যায়। গুম হয়ে যায় জলজ্যান্ত মানুষ; এনকাউন্টারে খুন হয়, “গণপিটুনী”-র গুলিবর্ষণে মানুষ মরে, পুলিসই অপহরণ করে মেরে ফেলে বাচ্চা ছেলেকে। ওদিকে পাহাড়ে শুনছি খুন-ধর্ষণ চলছে নিয়ম মতো। বইমেলায় লেখক কোপানো হয়, বাংলা একাডেমি অন্যায়ভাবে একটা প্রকাশনীকে বিতাড়িত করে বইমেলা থেকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে।
কিন্তু জনতা নির্বিকার। “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে” চলে “পলিটিক্যালি কারেক্ট” কথাবার্তা। চিন্তা করার ক্ষমতা দুরে থাক, ইচ্ছাটা পর্যন্ত ফেসবুকের “থিঙ্কট্যাঙ্ক”-দের হাতে বন্ধক দেয়া হয়ে গেছে। যার যার গণ্ডীতে সব কুয়োর ব্যাঙেরা এখন সেলিব্রিটি। পছন্দমতো লাইক, কমেন্ট, শেয়ার। একদিকে সবাই আতঙ্কগ্রস্থ, উপরে উপরে সবকিছুই স্বাভাবিক, নির্বিঘ্ন। সেলফি, স্ট্যাটাসের যার যার ইগোরক্ষা চলতে থাকে। যার যার তালগাছ, তার তার কাছেই আছে। অন্যদিকে একটা বন তেলে-চুবে নষ্ট হয়ে যায়। একটা দূর্বল শিক্ষাব্যবস্থা ধীরে ধীরে পচেগলে যায়।
নেশাটা ভালোই। আফিম, হিরোইন, ফেন্সিডিল এর কাছে শিশু। কত সহজে সবচে জরুরী বিষয় থেকে মনোযোগ সরানো যাচ্ছে। ডোজ বাড়াও।

যে লেখা পড়ে এ ভাবনা: ভয়ের দিনে ভয়ের ব্যবস্থাপনা